PILES


পাইলস শব্দটির অর্থ পিলার। মেডিকেলের ভাষায় একে হেমোরয়েড বলা হয়ে থাকে। মলদ্বারের রোগ মানেই পাইলস এটি একটি অত্যন্ত প্রচলিত ভুল ধারনা। আমার অন্য একটি লিখায় এ বিষয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। সহজ বাংলায় মলদ্বারের রক্তনালী ফুলে যাওয়াকে পাইলস বলা হয়ে থাকে। তরুন এবং বৃদ্ধরা সাধারনত পাইলসে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। ৪৫-৬৫ বছর বয়স সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। নারী পুরুষ নির্বিশেষে রোগটির বিস্তার দেখা যায়। গবেষণায় দেখা যায় যে বিশ্বে শতকরা ৪-৫ জন ব্যক্তি এই রোগটিতে আক্রান্ত।
পাইলস দুই প্রকার।যথা-
১: আভ্যন্তরীণ পাইলস
২: বহিস্থ পাইলস
১: আভ্যন্তরীণ পাইলস
মলদ্বারের ২-৩ সেমি: ভেতরের পাইলসকে আভ্যন্তরীণ পাইলস বলা হয়। আভ্যন্তরীণ পাইলসকে তাদের আকার ও আচরন অনুযায়ী পুনরায় ৪টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।
- শ্রেণি ১:সম্পূর্ণ মলদ্বারের ভেতর থাকে। বাহির থেকে বোঝা যায় না।
- শ্রেণি ২: মলদ্বারের ভেতর থাকে তবে মলত্যাগের সময় বাহিরে বের হয় আসে এবং শেষে নিজে নিজে ভেতরে চলে যায়।
- শ্রেণি ৩: মলদ্বারের ভেতর থাকে,মলত্যাগের সময় বাহিরে বের হয়ে আসে কিন্তু শেষে নিজে নিজে ভেতরে চলে যায় না, আংগুল দিয়ে ঠেলা দিতে হয়।
- শ্রেণি ৪: মলদ্বারের ভেতর থেকে সবসময় বাহিরে বের হয়ে থাকে, ঠেলে ভেতরে দেয়া যায় না।
২.বহিঃস্থ পাইলস
মলদ্বারের বাহিরের পাইলসকে বহিস্থ পাইলস বলে।
কখনো কখনো একই সাথে আভ্যন্তরীণ ও বহিস্থ পাইলস থাকতে পারে।
মলত্যাগের সময় কোথ দেয়ার বদ অভ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্য পাইলস হওয়ার মূল কারণ। কারো কারো ক্ষেত্রে পাইলস বংশগত রোগও হয়ে থাকে। গর্ভকালীন সময়ে এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে পাইলস হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া স্থুলকায়, যকৃতের রোগী, বৃহদান্ত্রের প্রদাহ জনিত কারন, বৃহদান্ত্র ও মলাশয় ক্যান্সার এর রোগী, মলদ্বারের পূর্বের অপারেশন, আইবিএস ইত্যাদি রোগ থাকলে পাইলস হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
মলত্যাগের সাথে রক্ত পাইলসের প্রধান উপসর্গ। মলের সাথে তাজা রক্ত যায়। রোগীরা ফিনকি দিয়ে কিংবা টপ টপ করে রক্ত যাওয়ার অভিযোগ করেন। এছাড়া মলদ্বারে বাড়তি মাংস, চুলকানি, ভেজা ভেজা ভাব ও অস্বস্তি ইত্যাদি উপসর্গ থাকতে পারে।পাইলসে সাধারনত ব্যথা হয় না। তবে জটিলতা হলে ( রক্ত জমাট বাধা, রক্ত নালী বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি) ব্যথা হতে পারে।
রোগ নির্নয় করতে চিকিৎসকরা রোগীর উপসর্গগুলো শুনে মলদ্বার পরীক্ষা করেন। এক্ষেত্রে মলদ্বারের ভেতরে একটি ছোট যন্ত্র দিয়ে দেখা হয় (প্রোক্টসকোপি)। প্রয়োজন বোধ করলে কোলন্সকোপি, রক্ত পরীক্ষা ইত্যাদি করা লাগতে পারে।
পাইলসের চিকিৎসা প্রকারভেদে বিভিন্ন হতে পারে। প্রচলিত কয়েকটি চিকিৎসা পদ্ধতি হল-
- রক্ষণশীল পদ্ধতি – অভ্যাস পরিবর্তন ও ঔষধের মাধ্যমে
- ইঞ্জেকশন
- রিং লাইগেশন
- অপারেশন – সাধারন পদ্ধতি অথবা লংগো (এক প্রকার যন্ত্র)
- লেজার ব্যবহার
- আল্ট্রাসনোগ্রাফির সাহায্যে রক্তনালী বন্ধকরন
মলত্যাগের সময় কোথ দেয়ার বদ অভ্যাস ত্যাগ, প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় টয়লেটে বসে থাকা ইত্যাদি বদ অভ্যাস ত্যাগ করা পাইলস চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রচুর পানি ও তরল জাতীয় খাবার পান করতে হবে। খাদ্যতালিকায় আশ জাতীয় খাবার বেশি ( শাক, সব্জি, ইসপগুলের ভুষি ইত্যাদি) এবং মাছ- মাংস পরিমাণ মত রাখতে হবে। এরূপ নিয়মনীতি মেনে এবং সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ মত ঔষধ ( মলদ্বারের মলম, ক্রীম, ঢুশ, ঔষধ ইত্যাদি ) ব্যবহার করে শতকরা ৮০ ভাগ পাইলস বিনা অপারেশনে চিকিৎসা সম্ভব। শ্রেণি ১ ও অধিকাংশ শ্রেণি ২ পাইলস এভাবে চিকিৎসা করা যায়। অবশ্য একাধিক স্থানে শ্রেণি ১ পাইলস থাকলে কখনো কখনো লংগো অপারেশন করা হয়ে থাকে। শ্রেণি ২ ও শ্রেণি ৩ এর পাইলস রিং লাইগেশন অথবা অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। কোন পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হবে সেটি চিকিৎসক রোগীর সমস্যার উপর নির্ভর করে ঠিক করে থাকেন।শ্রেণি ৪ এর ক্ষেত্রে অপারেশন ভিন্ন অন্য উপায় থাকে না।বহিঃস্থ পাইলস এর ক্ষেত্রে অপারেশন প্রয়োজন হয়। লেজার এবং আল্ট্রাসনোগ্রাফির সাহায্যে রক্তনালী বন্ধকরন আমাদের দেশে চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে তেমন জনপ্রিয় নয়।
পাইলস জনিত অপচিকিৎসার ভয়াবহ পরিনাম থেকে মুক্তির একমাত্র অবলম্বন হল রোগীদের সচেতনতা। পাইলস একটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য রোগ, অথচ হাতুড়ে ও অপচিকিৎসার কারনে বহু রোগী প্রতিনিয়ত মলদ্বারের চিরস্থায়ী ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। সঠিক সময়ে, সঠিক চিকিৎসকের কাছে সঠিক চিকিৎসা নিন, স্বাস্থ্যকর খাবার খান ও নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করুন; পাইলস থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকুন- সুস্থ থাকুন।
Piles (also known as hemorrhoids) are swollen veins in the lower rectum or anus, causing discomfort, pain, and sometimes bleeding. In Bangladesh, treatment options for piles include both medical and surgical interventions, depending on the severity.
Common Treatment Approaches in Bangladesh:
- Lifestyle and Dietary Changes:
- Increase fiber intake (fruits, vegetables, whole grains) to soften stools.
- Drink plenty of water.
- Avoid straining during bowel movements.
- Regular exercise.
- Medications:
- Over-the-counter creams or ointments (e.g., containing hydrocortisone) to reduce inflammation and pain.
- Pain relievers.
- Stool softeners or fiber supplements (e.g., psyllium).
- Minimally Invasive Procedures (for persistent or severe cases):
- Rubber band ligation (banding the hemorrhoid to cut off blood supply).
- Sclerotherapy (injecting a solution to shrink the piles).
- Infrared coagulation (using infrared light to cut off blood supply).
- Surgical Treatments (for large or resistant piles):
- Hemorrhoidectomy (surgical removal of piles).
- Stapled hemorrhoidopexy (stapling the piles to block blood flow).
Availability in Bangladesh:
- Most government and private hospitals, as well as clinics in major cities (like Dhaka, Chittagong, Khulna, Rajshahi), offer piles treatment.
- Many gastroenterologists, general surgeons, and proctologists provide both non-surgical and surgical solutions.
When to See a Doctor:
- Persistent pain, bleeding, or prolapsed piles.
- Symptoms not improving with home treatment.
- Severe discomfort or suspicion of complications (like thrombosis or infection).
Note: Self-medication is common in Bangladesh, but it is always best to consult with a qualified doctor for proper diagnosis and treatment to avoid complications.
If you need the best piles surgeon then must have to visit Dr. Mir Rasekh Alam Ovi
আবাসিক সার্জন (সার্জারি) DMC
এমবিবিএস (ডিএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এফসিপিএস (সার্জারি), এফসিপিএস (কলোরেক্টাল সার্জারি) এফএমএএস (ইন্ডিয়া), এফএসিএস (ইউএসএ)
মেম্বার, আমেরিকান সোসাইটি অব কোলন এন্ড রেক্টাল সার্জনস
মেম্বার, ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব কলোপ্রক্টোলজি
He is known the best piles doctor in Bangladesh